প্রাণিজ উৎস থেকে ঘি তৈরি হয়। দূধের সর থেকে প্রথমে মাখন এবং মাখন থেকে ঘি উৎপাদিত হয়। ঘি খাবারে ফ্যাটের পাশাপাশি ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে সরবরাহ করে।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allবাংলাদেশে দ্বিতীয় শস্যজাতীয় খাদ্য হলো গম।
ডিম একটি প্রোটিনজাতীয় খাদ্য। দেহ গঠনের উপযোগী সব উপাদান ডিমে উপস্থিত। ডিমের উপাদান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সম্পূর্ণ ডিমে পানি, প্রোটিন, ফ্যাট এবং ধাতব লবণ। ডিমের সাদা অংশ ও কুসুমের মধ্যে উপাদানের তফাৎ হয়। ডিমের প্রোটিন উৎকৃষ্ট মানের এবং শতকরা ১০০. ভাগই দেহের কাজে লাগে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত রাহেলার সমুদ্রসৈকতে দেখা মাছ আমাদের দেহের প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করে। শুঁটকি মাছে ধাতব লবণ থাকে। ধাতব লবণের মধ্যে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, লোহা ও আয়োডিন উল্লেখযোগ্য। মাছের কাঁটাতে ক্যালসিয়াম থাকে। তাই যে মাছ কাঁটাসহ খাওয়া যায় সেই মাছ থেকে ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। সামুদ্রিক মাছ থেকে আয়োডিন পাওয়া যায়। উপরিউক্ত আলোচনা শেষে বলা যায়, প্রাণিজ প্রোটিনের উৎকৃষ্ট উৎস হচ্ছে মাছ।
উদ্দীপকে উল্লিখিত রাহেলা সবসময় যে মাছ খেয়ে থাকে তা হলো তাজা মাছ. এবং সমুদ্রসৈকতে দেখা মাছ হলো শুঁটকি মাছ। বাংলাদেশে কোনো কোনো অঞ্চলে শুঁটকি মাছ খুবই জনপ্রিয়। শুঁটকি মাছে তাজা মাছ অপেক্ষা ২-৩ গুণ বেশি প্রোটিন থাকে। এছাড়াও শুঁটকি মাছে তাজা মাছের চেয়ে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। তাজা মাছের মধ্যে কাঁটাসহ ছোট মাছে ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। শুঁটকি মাছে তাজা মাছের চেয়ে অনেকগুণ বেশি ধাতব লবণ থাকে। উপরিউক্ত আলোচনা শেষে বলা যায়, শুঁটকি মাছে গুণগতমান তাজা মাছের চেয়ে অনেক বেশি।
চালের চেয়ে গয়ে প্রোটিনের পরিমাণ বেশি থাকে।
লাল গমে খাদ্যোপাদান বেশি হওয়ার কারণ হলো বাংলাদেশের দ্বিতীয় খাদ্যশস্য গম। গম থেকে আমরা আটা, ময়দা ও সুজি পাই। গমে প্রচুর খাদ্যশক্তি ও প্রোটিন থাকে। লাল গমের ওপর আবরণ 'থাকায় পুষ্টিমূল্য নষ্ট হতে পারে না বলে খাদ্যোপাদান বেশি থাকে, যা স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!